গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬ এ ০১:২৫ PM
কন্টেন্ট: পাতা
দেশে বিদ্যমান বিভিন্ন পরীক্ষাগার, সনদপ্রদানকারী সংস্থা, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে এ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন আইন, ২০০৬ অনুযায়ী বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
বিএবি ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও মূলতঃ ২০০৯ সাল পর্যন্ত এর কার্যক্রম ছিল সীমিত। সরকারের গৃহীত নীতি-কৌশলের কারণে ২০১০ সালের নভেম্বর মাসে স্থায়ী জনবল নিয়োগের মাধ্যমে বিএবি’র কার্যক্রম মূলতঃ শুরু হয়। জাতীয় মান অবকাঠামো উন্নয়নে শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএবি দেশে একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সাযুজ্য নিরূপণ পদ্ধতি প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
বিএবি-এর কার্যক্রমের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিস্বরূপ টেস্টিং এবং ক্যালিব্রেশন ল্যাবরেটরির ক্ষেত্রে Asia Pacific Accreditation Cooperation (APAC), International Laboratory Accreditation Cooperation (ILAC) এর পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনসহ ২০১৫ সালে পারস্পরিক স্বীকৃতি ব্যবস্থা (MRA) স্বাক্ষর করেছে। এছাড়া ২০১৯ সালে বিএবি মেডিকেল ল্যাবরেটরি ও পরিদর্শন সংস্থার ক্ষেত্রে APAC/ILAC এর পারস্পরিক স্বীকৃতি ব্যবস্থা (MRA) স্বাক্ষর করেছে যা বিএবি’র একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড বিগত ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে Global Accreditation Cooperation Incorporated (GLOBAC) এর সদস্যপদ অর্জন করেছে।
বিগত ০৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে International Accreditation Forum (IAF) এর পূর্ণ সদস্যপদ অর্জন করেছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠনের চাহিদার প্রেক্ষিতে দেশে বিদ্যমান হালাল কনফরমিটি অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রমের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও গ্রহণযোগ্যতার জন্য হালাল এ্যাক্রেডিটেশন স্কীম চালু ও MRA অর্জনের লক্ষ্যে বিগত ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে Islamic Forum for Halal Accreditation Bodies (IFHAB) এর সদস্যপদ অর্জন করে। বিএবি এ্যাক্রেডিটেড প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত পণ্য ও সেবার গুণগত মান সনদ বা পরীক্ষণ রিপোর্ট বিশ্বব্যাপি গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। এতে করে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্য ও সেবার অবস্থান সুসংহত হচ্ছে।